Life Science PDF Part 4 in Bengali

জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর PDF | Life Science PDF Part 4 in Bengali

Life Science PDF Part 4BanglaMCQ.org এ আপনাকে স্বাগত। এর আগে আমরা জীবন বিজ্ঞান বিষয়ের বিভিন্ন অধ্যায়ের প্রশ্নোত্তর সম্পর্কে আলোচনা করেছি। আজকের বিষয় হল উদ্ভিদের রেচন (Plants Excretion)। আজকে আলোচনা করবো Life Science PDF Part 4 উদ্ভিদের রেচন।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এই টপিকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু মাত্র সরকারি চাকরির প্রস্তুতির জন্য নয়, সমস্ত শ্রেনীর ছাত্র ছাত্রীরাও এই পোস্টের মাধ্যমে উদ্ভিদের রেচন প্রক্রিয়ার প্রশ্ন সম্পর্কে জানতে পারবে। তাহলে চলো শুরু করা যাক…..

Life Science PDF Part 4 in Bengali

জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর PDF Part 2

অস্কার পুরস্কার ২০২৫ PDF

মুঘল সাম্রাজ্য সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর PDF

অটল সেতু: ভারতের দীর্ঘতম সেতু

পদ্ম পুরস্কার ২০২৪ MCQ

 ১. রেচন কাকে বলে?

উত্তর: জীবদেহে উৎপন্ন বিপাকীয় বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে অপসারণের প্রক্রিয়াকে রেচন বলে।

২. উদ্ভিদের রেচন বলতে কী বোঝ?

উত্তর: উদ্ভিদের বিপাকক্রিয়ায় উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থ অপসারণ, নিঃসরণ বা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে উদ্ভিদের রেচন বলে।

৩. উদ্ভিদের কি নির্দিষ্ট কোনো রেচন অঙ্গ আছে?

উত্তর: না, প্রাণীদের মতো উদ্ভিদের নির্দিষ্ট কোনো রেচন অঙ্গ নেই।

৪. উদ্ভিদের প্রধান রেচন পদার্থ কী কী?

উত্তর: উদ্ভিদের প্রধান রেচন পদার্থ হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, অক্সিজেন, অতিরিক্ত জল, রেজিন, গাম, ট্যানিন ও বিভিন্ন জৈব বর্জ্য।

৫. উদ্ভিদ কীভাবে অতিরিক্ত জল ত্যাগ করে?

উত্তর: উদ্ভিদ প্রধানত বাষ্পমোচন ও গাটেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অতিরিক্ত জল ত্যাগ করে।

৬. বাষ্পমোচন কাকে বলে?

উত্তর: উদ্ভিদের বায়বীয় অঙ্গ থেকে জলীয়বাষ্প আকারে জল বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বাষ্পমোচন বলে।

৭. বাষ্পমোচনের প্রধান স্থান কোনটি?

উত্তর: উদ্ভিদের পাতায় অবস্থিত পত্ররন্ধ্র বাষ্পমোচনের প্রধান স্থান।

৮. পত্ররন্ধ্র কী?

উত্তর: পাতার ত্বকে অবস্থিত ক্ষুদ্র রন্ধ্র, যার মাধ্যমে গ্যাসের আদান-প্রদান ও বাষ্পমোচন ঘটে, তাকে পত্ররন্ধ্র বলে।

৯. পত্ররন্ধ্রের প্রধান কাজ কী?

উত্তর: পত্ররন্ধ্র উদ্ভিদের গ্যাসীয় আদান-প্রদান ও বাষ্পমোচনে সাহায্য করে।

১০. পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে উদ্ভিদ কী ত্যাগ করে?

উত্তর: পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে উদ্ভিদ প্রধানত জলীয়বাষ্প এবং বিভিন্ন গ্যাস ত্যাগ করে।

১১. উদ্ভিদের শ্বসনের ফলে কোন বর্জ্য পদার্থ উৎপন্ন হয়?

উত্তর: উদ্ভিদের শ্বসনের ফলে প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জল উৎপন্ন হয়।

১২. উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষের ফলে কোন গ্যাস উৎপন্ন হয়?

উত্তর: উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষের ফলে অক্সিজেন উৎপন্ন হয়।

১৩. উদ্ভিদ অতিরিক্ত অক্সিজেন কীভাবে ত্যাগ করে?

উত্তর: উদ্ভিদ প্রধানত পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত অক্সিজেন বায়ুমণ্ডলে ত্যাগ করে।

১৪. উদ্ভিদে কার্বন ডাই-অক্সাইড কীভাবে রেচিত হয়?

উত্তর: উদ্ভিদের শ্বসনে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসীয় আদান-প্রদানের মাধ্যমে বাইরে বেরিয়ে যায়।

১৫. লেন্টিসেল কী?

উত্তর: কাঠজাত কাণ্ডের পৃষ্ঠে অবস্থিত ক্ষুদ্র ছিদ্রকে লেন্টিসেল বা কাণ্ডরন্ধ্র বলে।

১৬. লেন্টিসেলের প্রধান কাজ কী?

উত্তর: লেন্টিসেল কাণ্ডের অভ্যন্তর ও বাইরের বায়ুর মধ্যে গ্যাসের আদান-প্রদানে সাহায্য করে।

১৭. কাণ্ডের মাধ্যমে কি বাষ্পমোচন হতে পারে?

উত্তর: হ্যাঁ, লেন্টিসেলের মাধ্যমে কাণ্ড থেকেও অল্প পরিমাণে জলীয়বাষ্প বের হতে পারে।

১৮. কিউটিকুলার বাষ্পমোচন কী?

উত্তর: পাতার কিউটিকলের মাধ্যমে জলীয়বাষ্প বেরিয়ে যাওয়াকে কিউটিকুলার বাষ্পমোচন বলে।

১৯. লেন্টিকুলার বাষ্পমোচন কী?

উত্তর: লেন্টিসেলের মাধ্যমে জলীয়বাষ্প বেরিয়ে যাওয়াকে লেন্টিকুলার বাষ্পমোচন বলে।

২০. বাষ্পমোচনের প্রধান উপায় কয়টি?

উত্তর: বাষ্পমোচনের প্রধান তিনটি উপায় হলো পত্ররন্ধ্রীয়, কিউটিকুলার ও লেন্টিকুলার বাষ্পমোচন।

২১. গাটেশন কাকে বলে?

উত্তর: মূলচাপের কারণে পাতার কিনারা বা অগ্রভাগ দিয়ে তরল জল বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে গাটেশন বলে।

২২. গাটেশন সাধারণত কখন ঘটে?

উত্তর: বাষ্পমোচন কম থাকায় গাটেশন সাধারণত রাতের শেষভাগে বা ভোরবেলায় ঘটে।

২৩. গাটেশনের জন্য দায়ী বিশেষ গঠনটির নাম কী?

উত্তর: গাটেশনের জন্য দায়ী বিশেষ গঠনটির নাম হাইডাথোড।

২৪. হাইডাথোড কী?

উত্তর: পাতার কিনারা বা অগ্রভাগে অবস্থিত বিশেষ জল নিঃসরণকারী গঠনকে হাইডাথোড বলে।

২৫. গাটেশনের মাধ্যমে কী বের হয়?

উত্তর: গাটেশনের মাধ্যমে তরল জল এবং তাতে দ্রবীভূত কিছু লবণ ও অন্যান্য পদার্থ বেরিয়ে আসে।

২৬. বাষ্পমোচন ও গাটেশনের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?

উত্তর: বাষ্পমোচনে জলীয়বাষ্প বের হয়, কিন্তু গাটেশনে তরল অবস্থায় জল বের হয়।

২৭. উদ্ভিদের রেচনে মূলের ভূমিকা কী?

উত্তর: মূল কিছু জৈব পদার্থ ও অম্ল মাটিতে নিঃসরণ করে উদ্ভিদের রেচনে সাহায্য করে।

২৮. মূলের মাধ্যমে কোন ধরনের পদার্থ মাটিতে নিঃসৃত হতে পারে?

উত্তর: মূলের মাধ্যমে বিভিন্ন জৈব অম্ল, শর্করা ও অন্যান্য দ্রবণীয় পদার্থ মাটিতে নিঃসৃত হতে পারে।

২৯. উদ্ভিদের রেচন পদার্থ কোথায় সঞ্চিত হতে পারে?

উত্তর: উদ্ভিদের রেচন পদার্থ ভ্যাকুওল, পাতা, বাকল, কাঠ, ফল ও অন্যান্য পুরোনো অঙ্গে সঞ্চিত হতে পারে।

৩০. ভ্যাকুওল রেচনে কী ভূমিকা পালন করে?

উত্তর: ভ্যাকুওল বিভিন্ন বর্জ্য ও ক্ষতিকর পদার্থ সঞ্চয় করে কোষের অন্যান্য অংশকে সেগুলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।

৩১. উদ্ভিদের কোন কোষীয় অঙ্গাণু বর্জ্য পদার্থ সঞ্চয় করে?

উত্তর: উদ্ভিদের ভ্যাকুওল বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ সঞ্চয় করতে পারে।

৩২. ক্যালসিয়াম অক্সালেট কীভাবে সঞ্চিত হয়?

উত্তর: ক্যালসিয়াম অক্সালেট সাধারণত উদ্ভিদকোষে স্ফটিক আকারে সঞ্চিত হয়।

৩৩. ক্যালসিয়াম অক্সালেট স্ফটিক কোথায় পাওয়া যায়?

উত্তর: ক্যালসিয়াম অক্সালেটের স্ফটিক উদ্ভিদকোষের ভ্যাকুওলে পাওয়া যায়।

৩৪. উদ্ভিদের একটি কঠিন রেচন পদার্থের নাম কী?

উত্তর: ক্যালসিয়াম অক্সালেট স্ফটিক উদ্ভিদের একটি কঠিন রেচন পদার্থের উদাহরণ।

৩৫. রেজিন কী?

উত্তর: রেজিন হলো উদ্ভিদে উৎপন্ন এক ধরনের আঠালো জৈব পদার্থ, যা বিভিন্ন অঙ্গে সঞ্চিত হতে পারে।

৩৬. রেজিন কোথায় সঞ্চিত থাকে?

উত্তর: রেজিন সাধারণত উদ্ভিদের কাণ্ড, বাকল ও বিশেষ রেজিন নালিতে সঞ্চিত থাকে।

৩৭. গাম কী?

উত্তর: গাম হলো উদ্ভিদ থেকে নিঃসৃত এক ধরনের আঠালো জৈব পদার্থ।

৩৮. উদ্ভিদে গাম কীভাবে বের হয়?

উত্তর: উদ্ভিদের কাণ্ড বা অন্যান্য অংশে ক্ষত সৃষ্টি হলে সেখান থেকে গাম বের হতে পারে।

৩৯. ট্যানিন কী?

উত্তর: ট্যানিন হলো উদ্ভিদে পাওয়া এক ধরনের জটিল ফেনলজাতীয় যৌগ।

৪০. ট্যানিন কোথায় সঞ্চিত থাকে?

উত্তর: ট্যানিন প্রধানত উদ্ভিদের বাকল, পাতা ও বিভিন্ন টিস্যুতে সঞ্চিত থাকে।

৪১. অ্যালকালয়েড কী?

উত্তর: অ্যালকালয়েড হলো উদ্ভিদে পাওয়া নাইট্রোজেনযুক্ত জৈব যৌগ, যার অনেকগুলো উদ্ভিদে সঞ্চিত থাকে।

৪২. নিকোটিন কোন ধরনের যৌগ?

উত্তর: নিকোটিন একটি নাইট্রোজেনযুক্ত অ্যালকালয়েড।

৪৩. নিকোটিন কোন উদ্ভিদে পাওয়া যায়?

উত্তর: নিকোটিন প্রধানত তামাক উদ্ভিদে পাওয়া যায়।

৪৪. ক্যাফেইন কোন ধরনের পদার্থ?

উত্তর: ক্যাফেইন একটি অ্যালকালয়েড জাতীয় যৌগ।

৪৫. উদ্ভিদে ক্যাফেইন কোথায় পাওয়া যায়?

উত্তর: ক্যাফেইন প্রধানত চা ও কফি উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়।

৪৬. উদ্ভিদ কীভাবে পাতার মাধ্যমে বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে?

উত্তর: বর্জ্য পদার্থ পাতায় সঞ্চিত হলে সেই পাতা ঝরে পড়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ বর্জ্য অপসারণ করতে পারে।

৪৭. পত্রমোচন কাকে বলে?

উত্তর: উদ্ভিদের পরিণত বা পুরোনো পাতা স্বাভাবিকভাবে ঝরে পড়ার প্রক্রিয়াকে পত্রমোচন বলে।

৪৮. পত্রমোচনের মাধ্যমে কীভাবে রেচন ঘটে?

উত্তর: পাতায় সঞ্চিত বর্জ্য পদার্থসহ পাতা ঝরে পড়লে সেই বর্জ্যও উদ্ভিদদেহ থেকে অপসারিত হয়।

৪৯. বাকল ঝরে পড়ার সঙ্গে রেচনের কী সম্পর্ক আছে?

উত্তর: বাকলে সঞ্চিত বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ বাকল ঝরে পড়ার মাধ্যমে উদ্ভিদদেহ থেকে অপসারিত হয়।

৫০. উদ্ভিদের রেচনে পাতা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: পাতা বাষ্পমোচন, গ্যাসীয় বিনিময় এবং বর্জ্য পদার্থ সঞ্চয় ও অপসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *